স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক

আমি একজন যুবকের কথা বলতে এসেছি,
আমি একজন সাহসের কথা বলতে এসেছি,
একজন প্রতিবাদের কথা বলতে এসেছি,
একজন ইতিহাসের কথা বলতে এসেছি।

আর সবার মত বেড়ে ওঠা সেই যুবক,
বাবা মার আদরে,ভাই বোনের স্নেহে,
পাড়া প্রতিবেশীর মায়া,ভালবাসায়,
বেড়ে ওঠা এক অনন্য যুবক।

ভেতরে তার প্রতিবাদী এক সত্ত্বা জাগে,
প্রতিরোধী এক মন,আকুল কাঁদে,
দাউ দাউ অনলে, বিবেক পোড়ে,
সাহসী এক, নির্ভয় যুবক।

শীতের প্রহরে,উষ্ণতায় নিরাভরন,
সামরিকজান্তার রাঙানো চোখে,
স্বৈরশাসনের পেটানো চাবুক,
ভয় কে জয় করে,অনন্য যুবক।

সমগ্র শরীর তার বিশাল ক্যানভাস,
সমগ্রসত্ত্বা তার চিত্রিত ক্যানভাস,
সে হাঁটে, মিছিলের পুরোভাগে,
চলন্ত এক প্রতিবাদ,সাহসী যুবক।

বুলেটের আঘাতে ক্ষত বিক্ষত শরীর,
রক্ত গঙ্গায় ভাসে শাসকের বিদায়ী পদধ্বনি,
প্রতিশোধ,প্রতিবাদে,জাগে শত বাঙালী,
জীবন দিয়ে রচিত ইতিহাস, বাঙালী এক যুবক।

নাম তার নুর হোসেন,
জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি, সরব ইতিহাস।
গঠনতন্ত্র মুক্তিকামী সেই যুবক,
তার কথা বলতে এসেছি– চলন্ত ইতিহাস।
চলন্ত ব্যানার,চলন্ত প্ল্যাকার্ড,
উদাম শরীরে গনতন্ত্রের নিবাস,
স্বৈরতন্ত্রের মূল উৎপাটন,
হেঁটে চলে নূর হোসেন, আর হাঁটে গনতন্ত্র।
লাল সাগরে সলীল সমাধী,কফিনে স্বৈরতন্ত্র।

 

-ফারহানা নীলা